রমজানে ডায়াবেটিস রোগীদের খাবারও কিছু জরুরি পরামর্শ

নিচের যে অংশ থেকে পড়তে চানঃ

  • সঠিক সময় ইফতার করা। ইফতার এ অতিরিক্ত মিষ্টি এবং চিনি জাতীয় খাবার গ্রহণ না করা। ভাজাপোড়া কম খাওয়া।
  • ইফতারে এবং রাতের বেলা পর্যাপ্ত পানি তরল খাবার এবং পুষ্টিকর খাবার গ্রহণ করতে হবে। ইফতারের অতি ভোজন পরিহার করতে হবে। এক থেকে দুইটা খেজুর খেতে পারেন।

রমজানে-ডায়াবেটিস-রোগীদের-খাবারও-কিছু-জরুরি-পরামর্শ

  • পূর্ব নির্ধারিত ক্যালরির ঠিক রেখে খাবারের ধরন ও পরিমাণ সমন্বয় করে নিতে হবে। খাবারের সঠিক সময় এবং পরিমাণ যেন ঠিক থাকে সেদিকে বিশেষ খেয়াল রাখতে হবে। 
  • সেহরি খাবার সেহরীর সময় শেষ হওয়ার অল্প কিছুক্ষণ আগে খাওয়া ভালো সেহরির সময় পর্যাপ্ত পরিমাণ খেতে হবে। প্রতিবার খাবারের সুষম খাবার গ্রহণ করতে হবে।


  • ছোলা বুটঃ ১/২ কাপ (২৫ ২৫ গ্রাম কাঁচা বুট) 
  • পেঁয়াজুঃ ২ টা বড় মাপের (২৫ গ্রাম ডাল) 
  • বেগুনিঃ ২ টা মাঝারি (১০ গ্রাম বেসন) 
  • মুড়িঃ ২.৫ কাপ (৩০ গ্রাম)  
  • মিষ্টি ফলঃ অল্প পরিমাণ
শসা, ক্ষিরা, আমড়া, কচি পেয়ারা, কচি ডাবের পানি, লেবুর পানি (চিনি ছাড়া), টক বড়ই ও অন্যান্য টপ ফল ইচ্ছামতো খাওয়া যাবে।

  • আটার রুটিঃ ৯০ গ্রাম (৩ টা ছোট পাতলা রুটি)/ ভাত ২.৫ গ্রাম 
  • মাছ বা মাংসঃ এক থেকে দুই টুকরা 
  • ডাল বা দুধঃ ১.৫ কাপ ঘন ডাল বা দুধ ১ কাপ (সর ছাড়া) 
  • সবজিঃ পছন্দমত

  • ভাতঃ  ২.৫ কাপ (৩০০ গ্রাম) 
  • মাছ বা মাংসঃ এক থেকে দুই টুকরা 
  • ডাল, দুধঃ ১.৫ কাপ ঘন ডাল বা দুধ ১ কাপ (সর ছাড়া) 
  • সবজিঃ পছন্দমত


রমজানে-ডায়াবেটিস-রোগীদের-খাবারও-কিছু-জরুরি-পরামর্শ
স্বাস্থ্য ভালো রাখার জন্য প্রতি রাতে কিছু টক জাতীয় ফল খাওয়া ভালো।

রমজানে-ডায়াবেটিস-রোগীদের-খাবারও-কিছু-জরুরি-পরামর্শ

সব রকম শাক যেমনঃ পালং শাক, লাল শাক, পুইশাক, কলমি শাক, ডাটা শাক, কচু শাক ইত্যাদি। ফুলকপি, বাঁধাকপি, মুলা, ওলকপি, কাঁচা টমেটো, কাঁচা পেঁপে, শসা, খিরা, উস্তা, করল্লা, ঝিঙা, চিচিঙ্গা, দুম্বল, পটল, চাল কুমড়া, ডাটা, লাউ, সজিনা, পাকা কাঁচা টমেটো।

  • রমজান রহমত বরকত মাগফিরাত ও নাজায়েতের মাস
  • ডায়াবেটিস রোগীরা ডাক্তারের পরামর্শ নিয়ে রোজা রাখুন
  • গবেষণায় প্রমাণিত রোজা স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী
  • খাদ্য,ব্যায়াম ও ওষুধের সমন্বয়ের জন্য তিন মাস আগে থেকে ডাক্তারের সঙ্গে পরামর্শ করে প্রস্তুতি নিন
  • রোজার সময় পরিমাণ মতো এবং সময় মতো পানি গ্রহণ করুন
  • রমজানের পূর্বে নফল রোজা রেখে প্রস্তুতি নেওয়া ভালো
  • রোজার সময় দিনের বেলা অতিরিক্ত ব্যায়াম করা উচিত নয়, এতে হাইপোগ্লাইসেমিয়া হতে পারে
  • রোজা রেখে হাইপোক্লাইসেমিয়া হলে রোজা ভেঙে খেয়ে নিবেন এবং জরুরী ভিত্তিতে চিকিৎসকের পরামর্শ নিবেন 
  • রোজা রেখে দিনের বেলা সুগার মাপা যায় এবং প্রয়োজনে ইনসুলিন দেওয়া যায়। ইসলাম চিন্তাবিদদের মতে এতে রোজার কোন ক্ষতি হয় না


এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

শাওন ল্যাব এর নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url

Md. Sawon Ahmed
একজন ডিজিটাল মার্কেটিং এক্সপার্ট ও শাওন ল্যাব এর এডমিন। তিনি অনলাইন ইনকাম, ব্লগিং, SEO ও মেডিকেল টেকনোলজি নিয়ে নিয়মিত লেখালেখি করেন। এই প্যাথলজির উপর তার ৭ বছরের অভিজ্ঞতা আছে এবং তিনি সকল পাঠকের মাঝে সহজ ভাষায় মেডিকেল রিলেটেড সকল বিষয় তুলে ধরে যাচ্ছেন।