সি বি সি পরীক্ষা কেনো করা হয়

সিবিসি পরীক্ষা কেন করা করা হয় এই পরীক্ষায় কি কি জানা যায় এবং কখন পরীক্ষা করা প্রয়োজন তা সহজ ভাষায় জানুন। হিমোগ্লোবিন লোহিত রক্ত কণিকা শ্বেত রক্তকণিকা ও প্লাটিলের তথ্য বুঝে নিজের স্বাস্থ্য সম্পর্কে সচেতন সিদ্ধান্ত নিতে শিখুন।

সি-বি-সি-পরীক্ষা-কেনো-করা-হয়

সিবিসি বা কমপ্লিট ব্লাড কাউন্ট হলো বহুল ব্যবহৃত একটি রক্ত পরীক্ষা। এটি রক্তের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ উপাদান পরিমাণ ও বৈশিষ্ট্য সম্পর্কে ধারণা আমরা বুঝে থাকি। চিকিৎসক এই পরীক্ষার ফলাফল রোগীর উপসর্গ, শারীরিক অবস্থা এবং অন্যান্য পরীক্ষার সঙ্গে মিলিয়ে মূল্যায়ন করেন। তবে শুধু সিবিসি রিপোর্ট দেখে সব রোগ নিশ্চিত করা যায় না।

সূচিপত্রঃ সি বি সি পরীক্ষা কেনো করা হয়

সি বি সি পরীক্ষা কি

সিবিসির পূর্ণরূপ হল কমপ্লিট ব্লাড কাউন্ট, বাংলায় যাকে সম্পূর্ণ রক্তকণিকার গণনা পরীক্ষা বলা হয়। এটি এমন একটি সাধারণ রক্ত পরীক্ষা, যার মাধ্যমে রক্তের বিভিন্ন কোষের সংখ্যা আকার এবং কিছু গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যায়। চিকিৎসকেরা রোগীর সামগ্রিক স্বাস্থ্য মূল্যায়ন এই পরীক্ষা সাহায্য নেন।

এই পরীক্ষার মাধ্যমে সাধারণত লোহিত রক্ত কণিকা, শ্বেত রক্তকণিকা, হিমোগ্লোবিন, হেমাটোক্রিট এবং প্লাটিলের পরিমাণ পরিমাপ করা হয়। পাশাপাশি MCV, MCH, MCHC এর মত রক্ত কণিকা সংক্রান্ত রিপোর্টে থাকে। এসব ফলাফল রক্তের বিভিন্ন অস্বাভাবিক শনাক্ত করতে সহায়তা করে।

সহজ ভাষায় বলতে গেলে শরীরের রক্তের গুরুত্বপূর্ণ উপাদান গুলো স্বাভাবিক অবস্থায় আছে কিনা সেই সম্পর্কে প্রাথমিক ধারণা পেতে সি বি সি পরীক্ষা করা হয়। তবে এটি কোন একটি নির্দিষ্ট রোগ শনাক্ত করার একমাত্র পরীক্ষা নয়। প্রয়োজনে চিকিৎসক অন্যান্য পরীক্ষা করার পরামর্শ দিতে পারেন।

সিবিসি পরীক্ষা কেন করা হয়

সি বি সি পরীক্ষা করার অন্যতম প্রধান কারণ হলো রক্তস্বল্পতা বা অ্যানিমিয়া, সংক্রমণ এবং রক্তকণিকার বিভিন্ন অস্বাভাবিকতা সম্পর্কে ধারণা পাওয়া। কারো শরীরে দীর্ঘদিন ধরে দুর্বলতা, ক্লান্তি কিংবা ফ্যাকাসে ভাব থাকলে চিকিৎসক এই পরীক্ষা দিতে পারেন। পরীক্ষার ফলাফল রোগীর উপসর্গের সম্ভাব্য কারণ অনুসন্ধানের সাহায্য করে।

এছাড়াও জ্বর, ও স্বাভাবিক রক্তপাত, সহজে কালসেটে পড়া কিংবা কোন দীর্ঘস্থায়ী রোগের চিকিৎসা চলাকালীন রক্তের পরিবর্তন পর্যবেক্ষণের জন্যও সি বি সি করা হতে পারে। কিছু রোগের ক্ষেত্রে চিকিৎসার আগে ও পরে রক্ত কণিকার সংখ্যা তুলনা করে রোগীর অবস্থা মূল্যায়ন করা হয়।

অনেক সময় নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষার অংশ হিসেবেও সিবিসি করা হয়। তবে প্রত্যেক সুস্থ মানুষের নির্দিষ্ট বিরতিতে, এই পরীক্ষা করতেই হবে এমন কোন  বাধ্যবাধকতা নাই।বয়স, শারীরিক অবস্থা, উপসর্গ এবং চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী পরীক্ষার প্রয়োজন নির্ধারণ করা হয়।

সিবিসি পরীক্ষায় কি কি দেখা হয়

সিবিসি রিপোর্টে সাধারণত কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ পরিমাপ থাকে। এর মধ্যে RBC, WBC, হিমোগ্লোবিন হেমাটোক্রিট এবং প্লাটিলেট উল্লেখ যোগ্য। এগুলোর প্রতিটি শরীরে আলাদা কাজ করে এবং কোন উপাদানের মাত্রা কম বা বেশি হলে তা বিভিন্ন অবস্থায় সঙ্গে সম্পর্কিত হতে পারে।

RBC বা লোহিত রক্তকণিকা ফুসফুস থেকে শরীরে বিভিন্ন অংশে অক্সিজেন পরিবহনের সাহায্য করে। WBC বা শ্বেত রক্ত কণিকা রোগ জীবাণুর বিরুদ্ধে শরীরের প্রতিরক্ষায় অংশ নেয়। অন্যদিকে প্লাটিলেট রক্ত জমাট বাঁধতে সাহায্য করে, ফলে রক্তপাত বন্ধ করার প্রক্রিয়া স্বাভাবিকভাবে চলতে পারে।

রিপোর্টে MCV, MCH, MCHC এর মত সূচক ও গুরুত্বপূর্ণ। এগুলোর লোহিত রক্ত কণিকার ঘর আকার এবং কোষের হিমোগ্লোবিনের পরিমাণ বা ঘনত্ব সম্পর্কে তথ্য দেয়। এই সুযোগগুলো একসঙ্গে বিশ্লেষণ করে কিছু ধরনের অ্যানিমিয়া সম্ভাব্য কারণ বুঝতে চিকিৎসকের সুবিধা হয়।

হিমোগ্লোবিনের মাত্রা কেন গুরুত্বপূর্ণ

হিমোগ্লোবিন হলো লোহিত রক্ত কণিকার মধ্যে থাকে একটি প্রোটিন, যা ফুসফুস থাকে শরীরের বিভিন্ন অঙ্গে অক্সিজেন পৌঁছে দিতে সাহায্য করে। রক্তে হিমোগ্লোবিনের মাত্রা কমে গেলে শরীরের টিস্যুতে অক্সিজেনের সরবরাহ সক্ষমতা কমতে পারে। এর কারণে ক্লান্তি দুর্বলতা, মাথা ঘোরা কিংবা শ্বাসকষ্টের মতো উপসর্গ দেখা দিতে পারে।
সি-বি-সি-পরীক্ষা-কেনো-করা-হয়
সি বি সি পরীক্ষায় হিমোগ্লোবিনের মাত্রা দেখে রক্তস্বল্পতার সম্ভাবনা মূল্যায়ন করা হয়। তবে হিমোগ্লোবিন কম থাকার পেছনে আয়রনের ঘাটতি ছাড়াও ভিটামিনের অভাব,, দীর্ঘস্থায়ী রোগ রক্তক্ষরণ এবং অন্যান্য কারণ থাকতে পারে।, কোন কারণে হিমোগ্লোবিন কমেছ তা জানতে রোগীর ইতিহাস ও প্রয়োজনে অতিরিক্ত পরীক্ষা বিবেচনা করা হয়।

হিমোগ্লোবিন এর স্বাভাবিক মাত্রা সবার জন্য এক নয়। বয়স, লিঙ্গ, গর্ভাবস্থা এবং পরীক্ষাগারে রেফারেন্স রেঞ্জ অনুযায়ী ফলাফল মূল্যায়ন করতে হয়। তাই রিপোর্ট মাত্রা কম দেখেই নিজে থেকে আয়রন ট্যাবলেট পূরণ না করে চিকিৎসকের পরামর্শ নেয়া উচিত।

লোহিত রক্ত কণিকা কি নির্দেশ করে

লোহিত রক্ত কণিকা বা RBC এর প্রধান কাজ হল শরীরের বিভিন্ন অংশে অক্সিজেন পৌঁছে দেওয়া। সিবিসি পরীক্ষায় RBC Count এর মাধ্যমে নির্দিষ্ট পরিমাণ রক্তে লোহিত রক্ত কণিকার সংখ্যা পরিমাণ করা হয়। এই সংখ্যা এবং সংশ্লিষ্ট সূচক গুলো রক্তের অক্সিজেন পরিবহন ব্যবস্থা সম্পর্কে ধারণা দেয়।

RBC এর সংখ্যা বা সংশ্লিষ্ট পরিমাণ কম থাকলে, অ্যানিমিয়া রক্তক্ষরণ কিংবা রক্তকণিকা তৈরি সমস্যার মত কারণ বিবেচনা করা হয়। আবার কিছু ক্ষেত্রে পানি শূন্যতা বা অন্যান্য শারীরিক অবস্থার কারণে RBC বা হেমাক্রিটের মাত্রা বেশি দেখা যেতে পারে। শুধু একটি ফলাফল দিয়ে নির্দিষ্ট নিশ্চিত করা সম্ভব নয়।

RBC  এর আকার বোঝার জন্য MCV এর কোষের হিমোগ্লোবিনের পরিমাণ মূল্যায়নের জন্য MCH ও MCHC দেখা হয়। উদাহরণস্বরূপ, MCV কম হলে আয়রনের ঘাটতি সহ কিছু অবস্থার সম্ভাবনা বিবেচনা করা হয়। তবে থ্যালাসেমিয়াসহ অন্যান্য, কারণ ও থাকতে পারে তাই প্রয়োজনে অতিরিক্ত পরীক্ষা করা হয়।

শ্বেত রক্ত কণিকার কাজ কি

শ্বেত রক্তকণিকা বা WBC শরীরে রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থার গুরুত্বপূর্ণ অংশ। এগুলো বিভিন্ন ধরনের জীবাণু ও সংক্রমনের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে সাহায্য করে। সিবিসি পরীক্ষায় WBC Count এর মাধ্যমে রক্তের সেট রক্ত কণিকার মোট সংখ্যা পরিমাণ করা হয়।

WBC এর সংখ্যা বেড়ে গেলে সংক্রমণ প্রদাহ শারীরিক চাপ কিছু ওষুধের প্রভাব কিংবা অন্য কোন অবস্থার সঙ্গে সম্পর্ক থাকতে পারে। আবার WBC কমে গেলে কিছু ভাইরাস জনিত সংক্রমণ নির্দিষ্ট ওষুধ অস্থিমজ্জার সমস্যা বা অন্যান্য রোগের সম্ভাবনা বিবেচনা করা হয়। ফলাফল ব্যাখ্যা করতে রোগীর উপসর্গ ও চিকিৎসার ইতিহাস জানা গুরুত্বপূর্ণ।

প্রয়োজনের চিকিৎসক CBC With Differential পরীক্ষা দিতে পারেন এতে নিউটোফিল, লিম্ফোসাইট, মনোসাইট, এসোনোফিল ও বেসোফিল এর মত বিভিন্ন ধরনের শ্বেত রক্ত কণিকার পরিমাণ বা অনুপাত সম্পর্কে তথ্য পাওয়া যায়। এসব ফলাফল নির্দিষ্ট পরিস্থিতিতে রোগের সম্ভাব্য কারণ অনুসন্ধানের সাহায্য করতে পারে।

প্লাটিলেটের মাত্রা কেন দেখা হয়

লাঠিলেট বা অণুচক্রিকা রক্ত জমাট বাঁধার প্রক্রিয়ায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। শরীরের কোন স্থানে আঘাত লাগলে রক্তপাত বন্ধ করার জন্য প্লাটিলেট সেখানে জমাট হতে এবং জমাট তৈরির প্রক্রিয়া অংশ নিতে সাহায্য করে। সিবিসি পরীক্ষায় সাধারণত রক্তের প্লাটিলের সংখ্যা পরিমাণ করা হয়।
সি-বি-সি-পরীক্ষা-কেনো-করা-হয়
প্লাটিলেটের সংখ্যা স্বাভাবিকের তুলনায় কম হলে কিছু ক্ষেত্রে সহজে কালসেটে পড়া ত্রকে ছোট লাল বা বেগুনির দাগ কিনব দীর্ঘস্থায়ী রক্তপাতের ঝুঁকি বাড়তে পারে। তবে সামান্য কমপ্লিট থাকলেই সবার রক্তপাত হবে এমন নয়।, মাত্রা কতটা কম কেন কমেছে এবং রোগীর অন্য কোন সমস্যা আছে কিনা তা গুরুত্বপূর্ণ।

প্লাটিলেটের সংখ্যা বেড়ে গেলেও তার কারণঅনুসন্ধান করা দরকার। সংক্রমণ, প্রদাহ, আয়রনের ঘাটতি এবং কিছু রক্তের রোগের সঙ্গে এই ধরনের পরিবর্তন সম্পর্কিত হতে পারে। রিপোর্ট ও অস্বাভাবিক হলে চিকিৎসক প্রয়োজন অনুসারে সি বি সি প্যারিফেরাল ব্লাড ফিল্ম অথবা অন্য পরীক্ষা দিয়ে থাকেন।

কোন লক্ষণের সি বি সি করা হয়

দীর্ঘদিন ধরে, দুর্বলতা, অস্বাভাবিক ক্লান্তি মাথা ঘোরা কিংবা ত্বক ফ্যাকাসে । হয়ে যাওয়ার মত উপসর্গ থাকলে চিকিৎসক সিবিসি পরীক্ষা করার পরামর্শ দিতে পারেন এসব উপসর্গর রক্তস্বল্পতার সঙ্গে সম্পর্কিত হতে পারে। তবে এই ধরনের লক্ষণ অন্য অনেক শারীরিক সমস্যাতেও দেখা যায়।

জ্বর, সংক্রমণের সন্দেহ, বারবার অসুস্থ হওয়া কিংবা শরীরে অস্বাভাবিক কালশিটে পড়ার মত পরিস্থিতিতেও এই পরীক্ষার প্রয়োজন হতে পারে। নাক বা মাড়ি থেকে অস্বাভাবিক রক্তপাত হলে কিংবা মাসিকের সময় অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ হলে চিকিৎসক রোগীর অবস্থা অনুযায়ী সিবিসি সহ অন্যান্য পরীক্ষা দিতে পারেন।

এছাড়া পরিচিত রক্তের রোগের, অগ্রগতি পর্যবেক্ষণ নির্দিষ্ট চিকিৎসার পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া মূল্যায়ন আগে রোগীর অবস্থা যাচাইয়ের অংশ হিসেবে ব্যবহার করা হয়। তবে প্রতিটি লক্ষণের জন্য একই পরীক্ষা যথেষ্ট নয়। চিকিৎসক প্রয়োজন অনুযায়ী অন্যান্য পরীক্ষা নির্ধারণ করেন।

সিবিসি রিপোর্টের স্বাভাবিক মাত্রা

প্রতিটি পরীক্ষার পাশে সাধারণ একটি রেফারেন্স রেঞ্জ বা স্বাভাবিক মাত্রা উল্লেখ থাকে। এই পরিসর পরীক্ষাগার, বয়স, লিঙ্গ এবং অন্যান্য শারীরিক বৈশিষ্ট্য অনুযায়ী কিছুটা ভিন্ন হতে পারে। তাই অন্য কারো রিপোর্টের সঙ্গে নিজের ফলাফল সরাসরি তুলনা করা ঠিক নয়।

হিমোগ্লোবিন, RBC, WBC এবং লাটিলেটের মাত্রা আলাদাভাবে মূল্যায়ন করা হয়। একই সঙ্গে MCV, MCH, MCHC এবং হেমাটো ক্রিয়েটের ফলাফলও দেখা যেতে পারে। একটি মান স্বাভাবিক থাকলেও উন্নুমান অস্বাভাবিক হতে পারে তাই পুরো রিপোর্ট একসঙ্গে বিবেচনা করা গুরুত্বপূর্ণ।

রিপোর্ট অস্বাভাবিক হলে কি বোঝায়

সি বি সি রিপোর্টে কোন মান স্বাভাবিক সীমার বাইরে থাকলে তার একাধিক সম্ভাব্য কারণ থাকতে পারে। যেমন হিমোগ্লোবিন কম হলে রক্তস্বল্পতা বা রক্তক্ষরণের সম্ভাবনা বিবেচনা করা হয়। WBC বেড়ে গেলে সংক্রমণ বা প্রদাহর মত কারণ থাকতে পারে আবার প্লেটলেট কমে গেলে তার কারণ নির্ণয় অতিরিক্ত মূল্যায়ন দরকার হতে পারে।

কোন একটির মান অস্বাভাবিক হলেই নিশ্চিত ভাবে কোন রোগ হয়েছে এমন সিদ্ধান্ত নেয়া উচিত নয়। পানি শূন্যতা সাম্প্রতিক অসুস্থতা, ওষুধের প্রভাব এবং অন্যান্য বিষয়ক কিছু ফলাফল পরিবর্তন আনতে পারে। প্রয়োজন হলে চিকিৎসক পুনরায় পরীক্ষা বা পেরিফেরাল ব্লাড ফিল্ম সহ আরো নির্দিষ্ট পরীক্ষার পরামর্শ দিতে পারেন।

রিপোর্টের গুরুতর অস্বাভাবিক থাকলে, বিশেষ করে শ্বাসকষ্ট,, বুকে ব্যথা অজ্ঞান হয়ে যাওয়া বা বন্ধ না হওয়া রক্তপাতের মত উপসর্গ দেখা দ্রুত চিকিৎসা নেওয়া জরুরী। নিজে থেকে এন্টিবায়োটিক, আয়রন বা প্লাটিলের বাড়ানোর ওষুধ গ্রহণ করা উচিত নয়। সঠিক চিকিৎসা নির্ভর করে সমস্যায় প্রকৃত কারণে এর উপর।

শেষ কথাঃ সিবিসি পরীক্ষা কেন করা হয়

সি বি সি পরীক্ষা হল রক্তের গুরুত্বপূর্ণ উপাদান সম্পর্কে ধারণা পাওয়ার একটি সহজ পদ্ধতি। এর মাধ্যমে হিমোগ্লোবিন RBC, WBC, প্লাটিলের এবং রক্তকণিকা সংক্রান্ত বিভিন্ন সূচক মূল্যায়ন করা যায়। রক্তস্বল্পতা সংক্রমণ এবং রক্তকণিকার অস্বাভাবিক সন্ধান সহ বিভিন্ন চিকিৎসাগত পরিস্থিতিতে এই পরীক্ষার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

তবে মনে রাখবেন, সি বি সি রিপোর্টের একটি মান কম বা বেশি হলে নির্দিষ্ট কোন রোগ হয়েছে বলে ধরে নেওয়া যাবে না। সঠিক ব্যাখ্যার জন্য উপসর্গ, শারীরিক অবস্থা এবং প্রয়োজনে অন্যান্য পরীক্ষার ফলাফল বিবেচনা করাও জরুরী। স্বাস্থ্য সম্পর্কে সচেতন থাকুন এবং রিপোর্ট অস্বাভাবিক হলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

শাওন ল্যাব এর নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url

Md. Sawon Ahmed
একজন ডিজিটাল মার্কেটিং এক্সপার্ট ও শাওন ল্যাব এর এডমিন। তিনি অনলাইন ইনকাম, ব্লগিং, SEO ও মেডিকেল টেকনোলজি নিয়ে নিয়মিত লেখালেখি করেন। এই প্যাথলজির উপর তার ৭ বছরের অভিজ্ঞতা আছে এবং তিনি সকল পাঠকের মাঝে সহজ ভাষায় মেডিকেল রিলেটেড সকল বিষয় তুলে ধরে যাচ্ছেন।